Showing posts with label বিবিধ. Show all posts
Showing posts with label বিবিধ. Show all posts

ছোট্ট যে জন






এমন একজন মানুষের কথা নিয়ে আজ এই লেখা যিনি আমার পরিবারের সবচেয়ে ছোট্ট মানুষটি। যার বয়স এখনও সাত মাস হয়নি। সবার চেয়ে ছোট বলেই হয়ত তার চাওয়াগুলিও তেমনি ছোট ছোট। একটুখানি মনোযোগ, একটুখানি

আগামী গ্রন্থ "নক্ষত্রের গোধূলি" এবং "একাকীত্বের মূর্ছনা" সম্পর্কে পাঠকের বক্তব্য



"একাকীত্বের মূর্ছনা"

মরু প্রান্তরে, কাটে অমানিশা!
পথ ভোলা পথিকের পথের দিশা
প্রতীক্ষার জ্বলন্ত অগ্নিগিরি নিয়ে বুকে
বসে আছি, দেখব শিশির স্নাত তোমাকে!

১৪২২ সালের মেনু

সকল বন্ধুকে জানাচ্ছি সুপ্রভাত।
আজ এই সুপ্রভাতে আপনাদের সবার জন্য আগামী কালের বর্ষ শুরুর একটি নতুন মেনু উপহার নিয়ে এসেছিঃ
সকালে নিদ্রা ভঙ্গের পর প্রাথমিক কাজকর্ম সেরে নিশ্চয়ি নাশতার টেবিলে বা মাদুরে এসে বসবেন! তা এখানে এতদিন অনেক মজার খাবার

মজার রেসিপিঃ কাচ্চি বিরিয়ানি


অনেককেই দেখছি নানান রকমারি রেসিপি লিখছেন। UBC অর্থাৎ উদরাজী ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের রেসিপি বিভাগ, শাপলা (ইদানিং তাকে দেখাই যাচ্ছে না), আমার প্রিয়তমা এবং একমাত্র প্রেমিকা ইজি রেসিপি এবং প্রিয় বহিন স্বয়ং বিষ্ণু আপা এবং নাজমুল হুদা ভাই। তা

লেখকের বিড়ম্বনা


আমি কোন লেখক বা সাহিত্যিক হবার জন্য হাতে কলম ধরিনি বা এই বিজ্ঞানের যুগে যেহেতু কলম দিয়ে লেখার প্রচলন উঠেই গেছে তাই বলা যায় কম্পিউটারের কি বোর্ডে হাত দেইনি। তবে মনের গোপন কোণে যে এমন একটা

যাযাবরের চিঠি



প্রিয় শফিক,
আশা করি ভাল আছিস। অনেক দিন যাবত তোর কোন চিঠি পাই না। জানি বারবার এত করে বলার পরেও তোদের গ্রামের বাড়ি না গিয়ে চলে এসেছি বলে রাগ করেছিস তাই না? আমি ঠিক বুঝতে পেরেছি। কিন্তু, আমি কেন যাইনি সে

আবদুলের রোজনামচা



ফরিদ সাহেব এখন অবসর জীবন যাপন করছেন। এতদিন সরকারি চাকরি করে ক্লান্ত হয়ে হাত পায়ে যখন নানা উপসর্গ যেমন গিরায় গিরায় ব্যথা, মাজায় ব্যথা দেখা দিচ্ছিল তখন একেবারে সময় মত এলপিআরের অফিস অর্ডার

আমি ঢাকা মহানগরী



এই যে আজকে আপনারা বসবাস করছেন আমার বুকে এই আমি ঢাকা মহানগরী। এক সময় কিন্তু আমি এত বড় ছিলাম না। নবাবদের আমলে মাত্র কয়েকজন নবাব বাড়ির নায়েব, গোমস্তা আর খানসামারা এখানে বসবাস করত এবং

একটি কাল রাত



বাংলাদেশের একটি সমুদ্র বন্দরে চাকরি করছি তখন।  স্ত্রী সন্তান নিয়ে ওখানেই কর্তৃপক্ষের বাসায় বসবাস করি। দিন গুলি বেশ কেটে যাচ্ছে। হঠাৎ অফিসের একটা জরুরী কাজে ৩/৪ দিনের জন্য ঢাকায় শিপিং অফিসে এসেছিলাম।

সেদিনের ঈদগুলো


একটু ছোট্ট ভুমিকাঃ জীবনে যে কত দেশের কত শহরে ঈদ করেছি সে অনেকের কাছে বিস্ময় বলে মনে হবে। এর মধ্যে একটা মজার ঘটনা বলি। ঈদের আগের দিন জাহাজ দুবাই এসেছে, গেটের বাইরে এসে দেখি কাছেই ঈদ গাহ। বন্ধুরা

আমার দেখা একাত্তরের কয়েক দিন


 
১৯৭০ সালের কথা বলছি যখন আমরা করাচী শহরে থাকি তখনকার কথা। বাবা চাকরী উপলক্ষে ওখানে থাকতেন আর আমরা কয়েক ভাই বোন স্কুলে পড়তাম। চারিদিকে ইলেকশনের ফলাফল নিয়ে নানা ধরনের নানা কথা বার্তা। আমার

দবীর আলির স্বপ্নভঙ্গ



সুখে থাকলে ভুতে কিলায়। এই মহা বাণী নিশ্চয় শুনেছেন। হ্যাঁ আসলে কথাটা একেবারে উড়িয়ে দেবার উপায় নেই। দবির আলি সাহেব লন্ডনে বেশ সুখেই ছিলেন। অবশ্য তিনি লন্ডন শহর বলতে যা বোঝায় সেখানে কখনই থাকেনি। তবে

'একজন এজিএম



সাহেদ সাহেব এখন একটি বড় কোম্পানির ছোট্ট একটা ইউনিটের এজিএম। মনে তার ফুরফুরে মনমাতানো হাসনাহেনার গন্ধের মত মাতাল করা একটা ভাব লেগেই আছে। ধরাকে সরা মনে করা, মানি লোককে তুচ্ছতাচ্ছিল্য

আশা কুহকিনী



সাইফ আল মামুন ছোটখাটো একটা কোম্পানির দায়িত্বশীল পদে চাকরি করছিলেন এবং ভালই ছিলেন। শুধু ভাল বললে কম হয়ে যায় মনে হয় বেশ ভাল ছিলেন। হঠাৎ একদিন কাজের উপলক্ষে একটা নামি বড় কোম্পানির কর্তা ব্যক্তির